কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১১:২৬ AM
কন্টেন্ট: পাতা
শিবালয় উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস মূলত বেকার যুবক ও যুবমহিলাদের আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে চলমান এবং উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
এটি সরকারের একটি অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প যেখানে নির্দিষ্ট মেয়াদে শিক্ষিত বেকারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অস্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। শিবালয় উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এই প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে।
যুবকদের আধুনিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করতে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়:
কম্পিউটার ও আইটি প্রশিক্ষণ: গ্রাফিক ডিজাইন, অফিস অ্যাপ্লিকেশন এবং ডিজিটাল মার্কেটিং।
ইলেকট্রনিক্স ও মেকানিক্স: রেফ্রিজারেশন ও এসি মেরামত, মোবাইল সার্ভিসিং এবং ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিং।
পোশাক তৈরি: দর্জি বিজ্ঞান ও ফ্যাশন ডিজাইনিং (বিশেষ করে যুব মহিলাদের জন্য)।
শিবালয়ের ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় এই প্রকল্পগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়:
মৎস্য চাষ প্রকল্প: উন্নত পদ্ধতিতে মাছ চাষ ও হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা।
গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি পালন: গরু মোটাতাজাকরণ এবং বাণিজ্যিক পোল্ট্রি খামার স্থাপনে সহায়তা।
নার্সারি ও বনায়ন: ফলজ ও বনজ গাছের চারা উৎপাদন ও বিপণন।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবকদের নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার জন্য দুটি প্রধান উপায়ে ঋণ দেওয়া হয়:
ব্যক্তিগত ঋণ: এককভাবে কোনো ব্যবসা শুরু করার জন্য।
গ্রুপ বা দলভিত্তিক ঋণ: ৫ থেকে ১০ জনের গ্রুপ গঠন করে যৌথ উদ্যোগে বড় কোনো প্রকল্প হাতে নিলে এই ঋণ দেওয়া হয়।
দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে পরিবারভিত্তিক ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি। এর মাধ্যমে গ্রামীণ যুবকদের পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে সহজ শর্তে ঋণ ও কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হয়।
একটি বিশেষ বাসের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ল্যাপটপ ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে আইটি প্রশিক্ষণ পৌঁছে দেওয়ার বিশেষ উদ্যোগ।
১. সদস্য হওয়া: প্রথমে উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসে গিয়ে যুব সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হয়। ২. প্রশিক্ষণ গ্রহণ: পছন্দসই ট্রেডে সফলভাবে প্রশিক্ষণ শেষ করতে হয়। ৩. ঋণের আবেদন: প্রশিক্ষণ শেষে ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা (Business Plan) জমা দিয়ে ঋণের জন্য আবেদন করতে হয়।