কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১১:১৯ AM
কন্টেন্ট: পাতা
শিবালয় উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস স্থানীয় শিক্ষিত ও স্বল্প শিক্ষিত বেকার যুবকদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী গত কয়েক বছরে এই দপ্তরের প্রধান অর্জনসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
ব্যাপক প্রশিক্ষণ: শিবালয় উপজেলার হাজার হাজার যুবক ও যুবমহিলাকে বিভিন্ন ট্রেডে (যেমন: কম্পিউটার, গবাদি পশু পালন, দর্জি বিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স) প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ: প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শত শত বেকার যুবককে হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদান।
সফল উদ্যোক্তা: প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর এই উপজেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুবক নিজস্ব ডেইরি ফার্ম, মৎস্য খামার এবং আইটি সেন্টার স্থাপন করে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।
দারিদ্র্য বিমোচন: যুবকদের স্বাবলম্বী করার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে দারিদ্র্যের হার হ্রাসে এই অফিস বড় ভূমিকা পালন করেছে।
সহজ শর্তে ঋণ: এ পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকা ঋণ হিসেবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে, যা তাদের ব্যবসা শুরু করতে বা বৃদ্ধিতে সরাসরি সহায়তা করেছে।
ঋণ আদায় হার: শিবালয় উপজেলায় যুব ঋণের আদায়ের হার অত্যন্ত সন্তোষজনক, যা প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করছে।
জাতীয় যুব পুরস্কার: শিবালয় উপজেলার অনেক সফল যুবক তাদের অসামান্য অবদানের জন্য জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক বা শ্রেষ্ঠ আত্মকর্মী হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন।
যুব সংগঠন নিবন্ধন: স্থানীয় যুব ক্লাব ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে তাদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়ন।
বৃক্ষরোপণ ও রক্তদান: যুবকদের সম্পৃক্ত করে প্রতি বছর কয়েক হাজার বৃক্ষরোপণ এবং নিয়মিত রক্তদান কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়নে অবদান।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ ধারার বিনোদনে ফিরিয়ে আনা।
এক নজরে সাফল্য: শিবালয় উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস মূলত প্রশিক্ষণ ➔ ঋণ প্রদান ➔ আত্মকর্মসংস্থান—এই তিনটি ধাপের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমেই আজকের এই অর্জনগুলো অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।